Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

সিটিজেন চার্টার

অফিসসমূহ

ক্রঃ নং অফিসের নাম ঠিকানা অফিস প্রধানের পদবী               মোবাইল নম্বর            
ভোলা পবিস (সদর) বাংলাবাজার,ভোলা জেনারেল ম্যানেজার ০১৭৬৯৪০০০১৪
লালমোহন জোনাল অফিস লালমোহন, ভোলা ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার ০১৭৬৯৪০০০৮৯
চরফ্যাশন সাব-জোনাল অফিস চরফ্যাশন,ভোলা। এজিএম ( ওএন্ডএম ) ০১৭৬৯৪০২২১৬

 

গ্রাহক সেবাকেন্দ্র

ক্রঃ নং সেবা/অভিযোগের কেন্দ্রের নাম ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর
সদর দপ্তর অভিযোগ কেন্দ্র বাংলবাজার,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০০৮৮৬
 ভোলা এরিয়া অফিস অভিযোগ কেন্দ্র পরানগঞ্জ,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০০৮৮৫
খেয়াঘাট অভিযোগ কেন্দ্র খেয়াঘাট ,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০২০৯৭
 শান্তির হাট অভিযোগ কেন্দ্র শান্তির হাট ,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০২৫৬২
দৌলতখান এরিয়া অফিস অভিযোগ কেন্দ্র দৌলতখান,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০০৮৮৭
বোরহানউদ্দিন অভিযোগ কেন্দ্র বোরহানউদ্দিন,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০০৮৮৯
লালমোহন জোনাল অফিস অভিযোগ কেন্দ্র লালমোহন,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০০৮৮৮
তজুমদ্দিন অভিযোগ কেন্দ্র তজুমদ্দিন,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০০৮৯০
চরফ্যাশন সাব-জোনাল অফিস অভিযোগ কেন্দ্র চরফ্যাশন,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০০৮৯১
১০ শশীভূষন অভিযোগ কেন্দ্র শশীভূষন ,চরফ্যাশন,ভোলা ও ০১৭৬৯৪০২৫৬২

 

নতুন সংযোগ গ্রহন

 

* ‘‘এক অবস্থানে সেবা’’ থেকে নতুন সংযোগের আবেদন পত্র পাওয়া যাবে।

* আবেদন পত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় দলিলাদিসহ নির্ধারিত আবেদন ফি পবিসের ক্যাশ কাউন্টারে জমা প্রদান করে জমা রশিদ সংগ্রহ করতে হবে।

* সমীক্ষা ফি জমা হওয়ার পর সদস্য সেবা বিভাগ কর্তৃক সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক সমীক্ষা/যাচাই করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্থানীয় উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এক সপ্তাহের মধ্যে কারিগরী সমীক্ষার পর নির্মাণসহ সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট/প্রাক্কলন ইস্যু করা হয়।

* ডিপোজিট ওয়ার্কের আওতায় লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমার প্রয়োজন হলে গ্রাহক কর্তৃক সরবরাহ করতে হবে।

* প্রাক্কলন জমা হওয়ার পর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সাধারণত দুই মাসের মধ্যে লাইন নির্মাণের পর ও গ্রাহকের নিজ দায়িত্বে অভ্যন্তরীন ওয়্যারিং সম্পন্ন করণের পর তা পরিদর্শন সাপেক্ষে আনুষাঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন করে গ্রাহকের আঙ্গিনায় মিটার স্থাপন পূর্বক সংযোগ দেয়া হয়।

* আবাসিক গ্রাহকের ক্ষেত্রে ২ কিঃ ওঃ এর অধিক লোড বরাদ্ধের ক্ষেত্রে মোট চাহিদার ৩% হিসাবে সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে।

* শিল্প ও বানিজ্যিক গ্রাহকের ক্ষেত্রে ৫০ কিঃ ওঃ পর্যন্ত বরাদ্ধ প্রাপ্ত লোডের ৭% ও ৫০ কিঃ ওঃ এর উর্দ্ধে বরাদ্ধকৃত লোডের লাইট ও ফ্যান লোডের ১০% এবং পোষাক শিল্পের জন্য ফ্যান লোডের ৫% এর জন্য সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে।

* সমীক্ষা ফি সহ আবেদনের পর কোন কার্য ব্যবসাহ গ্রহণ করা সম্ভবপর না হলে যথাসম্ভব দ্রুত কারণ জানিয়ে   আবদেনকারীকে অবহিত করা হবে।

* সংযোগের পর পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারি করা হবে।

* মহা পরিকল্পনার আওতায় লাইন নির্মাণের ক্ষেত্রে অর্থ বছরের প্রথমদিকে মাইলেজ ও বাজেট বরাদ্ধ প্রাপ্তি সাপেক্ষে থানা ও গ্রাম ওয়ারি নির্মিতব্য লাইনের তালিকা পবিস সদর দপ্তরের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দেওয়া হবে।

* পরবর্তীতে ডিজাইন হওয়ার পর সদস্য হওয়া ও অফিস থেকে প্রযোজ্য ওয়্যারিং মালামাল গ্রহণ সাপেক্ষে লাইন নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়া হয়।

* লাইন নির্মাণের পর ৭৫% সদস্যের ওয়্যারিং সম্পন্ন হওয়া সাপেক্ষে জামানত গ্রহণ করে মিটার স্থাপন পূর্বক সংযোগ দেওয়া হয়।

 

বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণের ধাপ

 

আবেদন-> সমীক্ষা ফি> সমীক্ষা---> বৈদ্যুতিক প্লান--> প্রাক্কলন গ্রহণ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে---> স্টেকিং করণ--> চুক্তিপত্র প্রযোজ্য ক্ষেত্রে--> লাইন নির্মাণ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে --> আভ্যন্তরীন ওয়্যারিং---> ওয়্যারিং পরিদর্শন--=> জামানত গ্রহণ-> সিএমও--> সংযোগ প্রদান।

 

নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদি

 

নতুন সংযোগের আবেদন পত্রের সাথে নিম্মোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

 

* সংযোগ গ্রহনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ০২ কপি, স্ট্যাম্প সাইজের ১ কপি সত্যায়িত ছবি।

* জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি।

* লোড চাহিদার পরিমান।

* জমি/ভবনের ভাড়ার (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) দলিল।

* জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।

* ভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকের সম্পত্তি পত্রের দলিল।

* পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরণ ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিদ্যুৎ বিলের কপি।

* অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরণ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

* বৈধ লাইসেন্সধারী কর্তৃক প্রদত্ত ইন্সটলেশন টেষ্ট ( ওয়ারিং সার্টিফিকেট)।

* ট্রেড লাইসেন্স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

* সংযোগ স্থানের নির্দেশক নকশা।

* শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নিমিত্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

* পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্লান্ট স্থাপন (শিল্পের ক্ষেত্রে)।

* সাভির্স লাইনের দৈর্ঘ ১০৫ ফুটের বেশী হবে না।

* বহুতল আবাসিক/বানিজ্যিক ভবন নির্মাতা ও মালিকের সাথে ফ্লাট মালিকের চুক্তিনামার সত্যায়িত কপি।

 

শিল্প কারখানা ও ৬ তলার অধিক ভবনে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

 

* পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র।

* বন বিভাগের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)/ খাদ্য অধিদপ্তরে ছাড়পত্র।

* ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

 

৪৫ কেভি এর উর্দ্ধে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

 

* নিজস্ব ট্রান্সফরমার স্থাপনসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বৈদ্যুতিক স্থাপনাসহ শিল্প প্রতিষ্ঠান/কমপ্লেক্স ভবনের নক্সা ও লে-আউট প্লান।

* সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম।

* উপকেন্দ্র স্থাপিত সব যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন ও টেষ্ট রেজাল্ট এবং বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের   দপ্তর থেকে প্রদত্ত উপকেন্দ্র সংক্রান্ত ছাড়পত্র ও স্থাপনাদির ওয়্যারিং সার্টিফিকেট।

 

বিল পরিশোধ

* পবিস সদর দপ্তর /জোনাল অফিস এর ক্যাশ কাউন্টারে অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্ধারিত ব্যাংকে গ্রাহকগণ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

* এছাড়াও বর্তমানে এসএমএস-এর মাধ্যমেও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যাচ্ছে।

 

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ

* পবিস সদর দপ্তর /জোনাল অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট এলাকার অভিযোগ কেন্দ্রে আপনার  বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিষ্পত্তির সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

 

অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ

 

মেলা, আনন্দ মেলা, নির্মানাধীন সাইট যেমন, রাস্তা ব্রীজ ইত্যাদি অস্থায়ী সংযোগ গ্রহণ করতে পারবেন। নির্মানাধীন বাড়ী, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং কমপ্লেক্স এর ক্ষেত্রে অস্থায়ী সংযোগ প্রযোজ্য নয়। অস্থায়ী সংযোগ-কে কখনোই স্থায়ী সংযোগে রুপান্তরিত করা যাবে না এই জাতীয় সংযোগের ক্ষেত্রে ট্রান্সফরমার লাইটনিং এরেস্টার, ফিউজ কাট-আউট, মিটার ও মিটার সকেটের মূল্য ব্যতিত সংযোগের জন্য প্রযোজ্য সকল মালামালের তালিকা মূল্যের ১১০% চাহিত সময়কালের সম্ভাব্য বিল (শিল্প রেটে) এবং সংযোগ ও বিচ্ছিন্ন করণ ফি অগ্রীম প্রদান করতে হবে। অস্থায়ী সংযাগের জন্য আলাদা ট্রান্সফরমার প্রয়োজন হলে ট্রান্সফরমার স্থাপন  ও অপসারণ খরচ সহ ট্রান্সফরমার ভাড়া ও অগ্রিম প্রদান করতে হবে। মেয়াদান্তে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মালামাল ভাল থাকা সাপেক্ষে ব্যবহারযোগ্য মালামালের ১০০% মূল্য গ্রাহককে ফেরৎ দেওয়া হবে। অন্যথায়, ক্ষতিগ্রস্থ মালামালের মূল্য কর্তন করতঃ অগ্রীম গৃহীত অর্থ সমন্বয় করতে হবে।

 

লোড বৃদ্ধি

 

* লোড বৃদ্ধির জন্য সমীক্ষা ফি প্রদান পূর্বক আবেদন করতে হবে।

* নতুন চুক্তিপত্র সম্পাদন করতে হবে।

* লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী লাইন নির্মাণ/অন্যান্য ব্যয় এবং কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে।

 

এক অবস্থানে সেবা

 

*  পবিস সদর দপ্তর /জোনাল অফিস -এ ‘‘এক অবস্থানে সেবা’’ কেন্দ্রে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ , বিদ্যুৎ বিভ্রাট/বিল/লাইনের রুট স্থানান্তর সংক্রান্ত অভিযোগসহ সকল ধরণের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।

 

গ্রাহকের জ্ঞাতব্য বিষয়

 

* সান্ধ্য পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন।

* আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে।

* বিলম্ব মাশুল ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন এবং ঝামেলা মুক্ত থেকে বিদ্যুৎ সেবা উপভোগ করুন।

* বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় কল্পে মানসম্মত এনার্জি সেভিং বাল্ব ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করুন।

* টিউব লাইটে (ঊষবপঃৎড়হরপ ইধষষধংঃ) ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন।

* সোলার হোম সিস্টেম (সৌর) বিদ্যুৎ ব্যবহার করুন।

* বিদ্যুৎ একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ঠ ও পরিমিত ব্যবহারে ভুমিকা রাখুন।

* বৎসরান্তে পবিস হতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করা হয়ে থাকে।

* মিটার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনার। এর সঠিক সুষ্ঠ অবস্থা ও সীল সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

* লোডশেডিং সংক্রান্ত তথ্য সদর দপ্তর, জোনাল অফিস এবং অভিযোগ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে।

* ইদানিং একটি সংঘবদ্ধ অসাধু চক্র চালু লাইন হতে ট্রান্সফরমার/বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি/তার চুরির সাথে জড়িত। সুতরাং 

   আপনার এলাকার উপরিউক্ত চুরি রোধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।

* লাইন হতে ট্রান্সফরমার চুরি হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের ৫০% এবং একাধিকবার চুরি হলে ১০০% মূল্য পরিশোধের বিধান 

   রয়েছে।

 

গ্রাহকের নাম পরিবর্তনের পদ্ধতী

 

নির্ধারিত ফি সহ গ্রাহক ক্রয়সূত্রে /ওয়ারিশ সূত্রে/লিজ সূত্রে জায়গা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও প্রযোজ্য ফি এবং জামানত গ্রহণ সাপেক্ষে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে। উল্লেখ্য ওয়ারিশ সূত্রের ক্ষেত্রে ওয়ারিশ সনদ ও নাদাবী পত্র অবশ্যই ইউপি চেয়াম্যান কর্তৃক প্রত্যয়ন পূর্বক জমা প্রদান করতে হবে।

 

পার্শ্ব সংযোগ

 

কোন গ্রাহক কোন অবস্থাতেই পার্শ্ব সংযোগ প্রদান করতে পারবে না। পার্শ্ব সংযোগের আলামত পাওয়া গেলে পবিস-এর বিধান মোতাবেক জরিমানা আরোপ ও পার্শ্বসংযোগের ফলে পবিস-এর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার কোন সরঞ্জামাদি নষ্ট হলে তার ১০০% মূল্যসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন কারনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে সমুদয় দেনা পাওনা পরিশোধসহ সমিতির নিয়মানুযায়ী সংযোগ বিচ্ছিন্ন ফি ও পুনঃ সংযোগ ফি প্রদান করতে হবে।

অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার, মিটার হস্তক্ষেপ, বাইপাস, বিনা অনুমতিতে সংযোগ গ্রহণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থাঃ

বিদ্যুৎ আইনের (Electricity Act-1910, As Amended The Electricity (Amendment) Act,২০০৬/৩৯ ধারা অনুসারে এ ক্ষেত্রে নুন্যতম ১ বছর হতে ও ০৩ বছর পর্যন্ত জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে । তাছাড়া অবৈধভাবে বিদ্যুৎ/ সিস্টেম হস্থক্ষেপের জন্য জরিমানাসহ--------- সময় কালে বিদ্যুতের বিল প্রদান করা হবে। এছাড়াও উক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের দ্বারা যদি পবিসে বৈদ্যুতিক সরাঞ্জামাদি( যেমন ট্রান্সফরমার, মিটার ও মিটারিং ইউনিট ইত্যাদি) ক্ষতিগ্রস্থ হয় তবে ক্ষতিগ্রস্থ বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, পূনরায় সচল করা গেলে মেরামত খরচ অথবা সম্পূর্ণ ধ্বংস প্রাপ্ত বা পূনরায় সচল করা যাবে না এরূপ সরঞ্জামের জন্য পুনঃস্থাপনের ব্যয়সহ প্রকৃত মূল্য আদায় করা হবে।

 

ছবি


সংযুক্তি

সংযোগ সহজীকরণ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সংযোগ সহজীকরণ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি


সংযুক্তি (একাধিক)